ত্বকে ব্রণের সমস্যা কেন হয়, সমাধান কী

অ্যাকনে ভালগারিস বা ব্রণ ত্বকের তৈলগ্রন্থির রোগ। ত্বকের তৈলগ্রন্থি যখন অতিরিক্ত সেবাম (ত্বকের প্রাকৃতিক তেল) তৈরি করে, তখন তা হেয়ার ফলিকলের মুখ আটকে দেয়। এর ওপরে জড়ো হওয়া ময়লা ও ত্বকের মৃত কোষের ফলে ধীরে ধীরে ত্বকে প্রদাহ ও লালচে ভাব দেখা দেয়।
অ্যাকনের বিভিন্ন রূপ আছে যেমন হোয়াইটহেড, ব্ল্যাকহেড, পুঁজ জমা পাশ্চুল, ফোলা পিম্পল, ফাঁপা সিস্ট ও শক্ত নডিউল। সাধারণভাবে সব কটিকেই ব্রণ বলা হয়। এগুলো দেহের বিভিন্ন অংশে হতে পারে, যেমন মুখ, গলা, কাঁধ ও পিঠ। এসব ব্রণ ত্বকের মসৃণতা নষ্ট করে এবং প্রদাহ বা ক্ষতচিহ্নের সৃষ্টি করতে পারে।
বংশগত: ব্রণ হওয়ার ঝুঁকির পেছনে বড় ভূমিকা আছে জেনেটিকসের। আপনার মা-বাবা কারও ব্রণ হয়ে থাকলে আপনারও হতে পারে।
হরমোনজনিত: পিসিওএস রোগের ফলে হওয়া হরমোনের তারতম্য তৈলগ্রন্থি থেকে বেশি সেবাম তৈরি করে, যার ফলে ব্রণ বেরোয়। কিছু ব্রণ মাসিকের সময়, গর্ভাবস্থায় ও মেনোপজের সময় দেখা যেতে পারে।
বেশ কিছু পরিবেশ ও জীবনশৈলীসম্পর্কিত কারণে ত্বকের ক্ষতি হয়ে ব্রণের বাড়াবাড়ি দেখা যেতে পারে। এর মধ্যে পড়ে—
স্ট্রেস: মানসিক বা শারীরিক চাপের কারণে তৈলগ্রন্থি তেল সৃষ্টি করা বাড়িয়ে দিতে পারে, যাতে অতিরিক্ত সেবাম বেরোয়।
ওষুধ: যেসব ওষুধে অ্যান্ড্রোজেন, স্টেরয়েড ইত্যাদি থাকে, সেসব গ্রহণে ব্রণ হতে পারে।
হালকা থেকে গুরুতর ব্রণের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত চিকিৎসাগুলো করা যায়:
ওষুধভিত্তিক চিকিৎসা: ১. টপিক্যাল রেটিনয়েড মলম। ২. টপিক্যাল অ্যান্টিবায়োটিক মলম। ৩. মুখে খাওয়ার ওষুধ।
ব্রণ দূর করার প্রক্রিয়া: ১. ইন্ট্রালেশনাল ইনজেকশন। ২. হরমোনাল চিকিৎসা। ৩. কেমিক্যাল পিল। ৪. লেজার চিকিৎসা।
ডা. তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, চর্ম, যৌন, অ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ; চেম্বার: আলোক হেলথ কেয়ার, মিরপুর-পল্লবী শাখা, ঢাকা
Published: প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ১৩: ২৪
Source: https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/wya2yaz7zj
Comments
No comments yet
Be the first to share your thoughts!