অন্তরালে উইলসের শিক্ষক হেনস্তার তদন্ত প্রতিবেদন
Dainikshiksha
May 04, 2026

এর আগে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালকে বিচারপতি আলী রেজার বাসায় ডেকে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনার ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে অনুসন্ধান চালায় শিক্ষাবিষয়ক দেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল পত্রিকা দৈনিক শিক্ষাডটকম ও শিক্ষার একমাত্র প্রিণ্ট জাতীয় পত্রিকা দৈনিক আমাদের বার্তা। #স্কুল #বিচারপতি #উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজ #শিক্ষক #কলেজ
বিচারপতি আলী রেজা ও শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পাল রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালকে বিচারপতি আলী রেজার বাসায় ডেকে নির্যাতনের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এখনো অন্ধকারে। কমিটি গঠনের ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও আলোর মুখ দেখেনি সেই প্রতিবেদন। গত ১৯ এপ্রিল এই তদন্ত কমিটি করা হয়। এ নিয়ে সব মহলে ব্যাপক আলোচনা চলায় খোঁজ নিয়েও প্রতিবেদনের সর্বশেষ অবস্থা সর্ম্পকে তেমন কিছু জানা যায়নি। সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল অধ্যক্ষ শামসুল আলমকে তদন্ত কমিটির অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এখনো পাইনি। পাঁচ সদস্যর কমিটিতে কে কে আছেন এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ শামসুল আলম বলেন, এই মুহূর্তে তার মনে নেই কে কে আছেন। কমিটির সবাই শিক্ষক কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবাই শিক্ষক। তাহলে সবাই শিক্ষক হলে তাদের নাম মনে নেই এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন স্কুলে গিয়ে বলতে পারবো। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর কেমন সিদ্ধান্ত বা অন্য কোথায় এই প্রতিবেদন পাঠাবেন? দৈনিক শিক্ষাডটকম প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, প্রতিবেদক প্রতিষ্ঠানেই থাকবে। এর আগে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র কর শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালকে বিচারপতি আলী রেজার বাসায় ডেকে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনার ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে অনুসন্ধান চালায় শিক্ষাবিষয়ক দেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল পত্রিকা দৈনিক শিক্ষাডটকম ও শিক্ষার একমাত্র প্রিণ্ট জাতীয় পত্রিকা দৈনিক আমাদের বার্তা। এ বিষয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। বিষয়টি দৈনিক শিক্ষাডটকমের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে সবার নজরে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষকের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৬ এপ্রিল এক ছাত্র (বিচারপতি সন্তান) একটি বিষয় বারবার বুঝতে না পেরে শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালকে বিরক্ত করছিলেন। একপর্যায়ে আচরণগত উত্তেজনা তৈরি হলে শিক্ষক তাকে শাসন করেন। পরে শিক্ষার্থী বাসায় গিয়ে ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দেন বলে অভিযোগ করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর বিচারপতি পিতা স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রিন্সিপাল সত্যতা যাচাই না করেই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেন এবং দয়াল পালকে গত ১৮ এপ্রিল বিচারপতির বাসায় পাঠান। সেখানে দয়াল পালকে অপমানজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। এমনকি তাকে সেই ছেলের কাছেই জোর করে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়! বিষয়টি ব্যাপকভাবে জানাজানি হলে গত ২৬ এপ্রিল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কাকরাইলে স্কুলের সামনে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিক্ষোভ করেন। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রধান বিচারপতি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন বিকেলে বিক্ষোভ শেষে শিক্ষার্থীরা সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর কাছে এই স্মারকলিপি দিয়েছেন। অভিযুক্ত বিচারপতি আলী রেজার পক্ষ থেকে রমনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এ বিষয়ে গতকাল আইনমন্ত্রী এক অনুষ্ঠানে বলেছেন সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল এই বিষয় দেখবেন। #স্কুল #বিচারপতি #উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজ #শিক্ষক #কলেজPublished: 04/05/2026 10:55 pm
স্কুল
বিচারপতি
উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজ
শিক্ষক
কলেজ
মন্তব্য
এখনো কোন মন্তব্য নেই
আপনার চিন্তা শেয়ার করতে প্রথম হতে!