Home Articles রাজনীতি

‘আমি মেজর জিয়া বলছি, উই রিভোল্ট’ ঘোষণাই ছিল স্বাধীনতার অন্যতম উপাদান: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক July 22, 2026
‘আমি মেজর জিয়া বলছি, উই রিভোল্ট’ ঘোষণাই ছিল স্বাধীনতার অন্যতম উপাদান: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণার মাধ্যমে ব্যর্থ রাজনৈতিক সংগ্রামকে যুদ্ধে রূপান্তর করেন জিয়াউর রহমান।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একটি ব্যর্থ রাজনৈতিক সংগ্রামকে “উই রিভোল্ট” ঘোষণার মাধ্যমে নিজের মেধা, প্রজ্ঞা ও সাহসিকতায় যুদ্ধে রূপান্তর করেছিলেন। আর এটাই ছিল স্বাধীনতার অন্যতম উপাদান।’

আজ বুধবার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়াবাদ’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. রইছ উদদীন।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘পরবর্তী সময়ে এই ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মানুষের যে পরিচয়, তা ভাষার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে মানবেন্দ্র লারমা নামের একজন অবাঙালির প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে এটা বোঝা গেল যে একাত্তরে আমাদের ভাষার মাধ্যমে পুরোপুরি জাতির পরিচয় নির্ধারিত হয়নি। এমনই এক পরিস্থিতিতে বাঙালিকে একত্রিত করার লক্ষ্যে একাত্তরের মেজর জিয়া পঁচাত্তরে রাষ্ট্রনায়ক জিয়ায় পরিণত হলেন। তিনি আবারও বললেন, “আমি মেজর জিয়া বলছি, ক্যান্টনমেন্টে আবারও শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে।’”

পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রবর্তনের মাধ্যমে জাতির সংকটের সমাধান করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই ভূখণ্ডের জন্য নাগরিকতার ভিত্তিতে সবাই ‘বাংলাদেশি’, এই জাতীয়তাবাদী দর্শনকে প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। এর ফলে এখানে অন্য ধর্মের, বর্ণের বা গোত্রের মানুষের কোনো সমস্যা হচ্ছে না; আর এর মাধ্যমেই ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করা সম্ভব। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের মূল বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে সবাইকে নিয়ে এই ভূখণ্ডে একসঙ্গে বসবাস করা।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মো. মোর্শেদ হাসান খান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) ও ইউট্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. শামছুল আলম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ সাবিনা শরমীন এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউট্যাব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক নাছির আহমাদ। স্বাগত বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইমরানুল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউট্যাব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন।

Published: প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১২: ৫৫

Source: https://www.prothomalo.com/politics/hqpr0fdj1s

মুক্তিযুদ্ধ তথ্যমন্ত্রী রাজনীতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান

Comments

No comments yet

Be the first to share your thoughts!